রংপুর

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন: ৩ লাখ পরিবারের তথ্য নেওয়া হবে

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১২ অক্টোবর দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোসাম্মাৎ শুকরিয়া পারভীন এতে সভাপতিত্ব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পঞ্চগড়ের পাঁচ উপজেলায় ৩ লাখ ৯ হাজার ২৮৫টি খানা (পরিবার) রয়েছে। এসব খানার তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে। বর্তমানে জেলার এসব খানায় ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৪ জন লোক বসবাস করছেন। এর মধ্যে খানা রয়েছে— পঞ্চগড় সদরে ৭০ হাজার ৪০৪টি, আটোয়ারীতে ৩৮ হাজার ৮২৬টি, বোদায় ৭৪ হাজার ৫৮টি, দেবীগঞ্জে ৭০ হাজার ৮৯৬টি, তেঁতুলিয়ায় ৪০ হাজার ৬২টি এবং পঞ্চগড় পৌরসভায় ১৫ হাজার ৩৯টি।

এদের তথ্য সংগ্রহের জন্য পঞ্চগড় জেলায় ১৬ জন সুপারভাইজার ও ৭৪ জন তথ্যসংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ২ জন সুপারভাইজার ও ১৩ জন তথ্যসংগ্রহকারী, আটোয়ারী উপজেলায় ৩ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্যসংগ্রহকারী, বোদা উপজেলায় ৩ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্যসংগ্রহকারী, দেবীগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্যসংগ্রহকারী, তেঁতুলিয়া উপজেলায় ২ জন সুপারভাইজার ও ১৩ জন তথ্যসংগ্রহকারী এবং পঞ্চগড় পৌরসভায় ৩ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্যসংগ্রহকারী দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সীমা শারমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল মতিন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার আবু সায়েম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক অনিল চন্দ্র বর্মন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম কাজল উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ী, হাফিজাবাদ, সাতমেরা; আটোয়ারীর আলোয়াখাওয়া, ধামোর, বলরামপুর; বোদা উপজেলার পাঁচপীর, বড়শশী, সাকোয়া; দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীডোবা, সোনাহার মল্লিকাদহ, সুন্দরদীঘি; তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর, তেঁতুলিয়া, বাংলাবান্ধা এবং পঞ্চগড় পৌরসভার ৩, ৭ ও ১ নম্বর ওয়ার্ডে জরিপকাজ চালানো হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়। তখন ৭৩১টি খানা জরিপ করে ৪৭৬ জন উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়। তারা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

 


সম্পর্কিত খবর