এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১

কুষ্টিয়া পৌর কাউন্সিলর সহ সাত জনের নামে চাঁদাবাজি মামলা 

বিভাগ : জাতীয় প্রকাশের সময় :৪ মে, ২০২১ ২:১৩ : অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৯ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মীর রেজাউল ইসলাম বাবু (৫৫) ও তার ভাই মীর জাকির হোসেন (৩৫) সহ সাত জনের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন জগতি চেচুয়া কৃষক পাড়া ( গবর পাড়া) এলাকার দেলোয়ার হোসেন ভোলার স্ত্রী মোছা মালেকা বিশ্বাস।।মামলা নং -৫০। মামলায়  আসামীরা যথাক্রমে চৌড়হাস মোড় কাঁচা বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত জলিল ইসলাস( সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) এর ছেলে কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু ও তার ছোট ভাই মীর জাকির হোসেন (৩৫), চৌড়হাস কাস্টম মোড় এলাকার মৃত খন্দকার  আবুল কালামের ছেলে খন্দকার আরিফুল ইসলাম (৩০), জগতি এলাকার মোঃ পিয়ার হোসেন( ৩৬), চৌড়হাস উপজেলা মোড় এলাকার মোঃ  বাকেরের ছেলে ইমরান হোসেন রবিন(৩৫), চৌড়হাস মতিমিয়া রেলগেট এলাকার মৃত রওশন এর ছেলে মোঃ বিল্টু (৪৫) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়,  কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষক পাড়া( গবরপাড়া) এর বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন ভোলা কুষ্টিয়া খুলনা সড়কের রুপসা বাসের স্টাটার হিসেবে চৌড়হাস মোড় এলাকায় কর্মরত ছিলেন। চলমান লক ডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকায় ভোলা একই এলাকাতে সিএনজি চালিত গাড়ির সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণ করে কিছু টাকা রোজগার করে সংসার চালিয়ে আসছে। এমতাবস্থায় গত ২৭ এপ্রিল ২০২১ খ্রিঃ তারিখে  সন্ধায় ১ নং আসামী ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু দেলোয়ার হোসেন কে তার নিজ অফিসে ডেকে বলে” কাল হতে প্রতিদিন আমাদের ১ হাজার করে টাকা চাঁদা দিতে হবে”। দেলোয়ার হোসেন উক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করায় পরের দিন ২৮ এপ্রিল ২০২১ খ্রিঃ তারিখে দুপুর ১২ টার পর  চৌড়হাস মোড়ে ২ নং আসামী মীর জাকির হোসেন- দেলোয়ার হোসেন কে হত্যার উদ্দেশ্যে হাসুয়া দিয়ে কোপ মারে।এ সময় দেলোয়ারের বাম হাতের আঙ্গুল কেটে মারাত্মক জখম হয়। এর পর বাকি আসামী ও ৪/৫ জন অজ্ঞাত আসামীরা সবাই মিলে রড,  বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করে রক্তাত্ব জখম করে। এ সময় দেলোয়ারের চিৎকারে স্থানীয় হাবিব, শাজাহান, ডানো, আলাল সহ কয়েকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
 এ বিষয়ে বাদি মোছাঃ মালেকা বিশ্বাস বলেন,” আসামীরা ক্ষমতাসীন আওয়ামী হওয়ায় থানায় মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামীরা মামলা তুলে নিকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোন সময় আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে।”
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির জানান, এ মামলার ২ জন আসামীকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।বাকী আসামীদেরও আটকের চেস্টা চলছে।
তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে আসামী আরিফুল ও বিল্টু ঘটনার দিন আটক হলেও পরে জামিনে বের হয়েগেছে।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা