এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১

ধূমপান ছেড়ে দিন

বিভাগ : ফিচার প্রকাশের সময় :৩১ মে, ২০২১ ৫:৫৭ : অপরাহ্ণ


মমিনুল ইসলাম মোল্লা

ধূমপান একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি এক ধরণের নেশা। নেশা শব্দটি বিশেষ্য পদ।আভধানিক অর্থে এর অর্থ মাদকদ্রব্য, মাদকতা, অতিরিক্ত ঝোঁক ইত্যাদি। প্রবল আসক্তি, আকর্ষণ, টান নেশার বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে সিগারেটের প্যকেটের গায়ে লেখা থাকে “ ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর”। এ লেখাটি দেখার পরও ধূমপায়ীরা দেদারছে তা পান করে যাচ্ছেন। এটি শুধু মাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর নয় মাস্তষ্কের জন্য ও ক্ষতিকর। এটি আত্মার জন্যও ক্ষতিকর, এবং ধর্মের জন্যও ক্ষতিকর। এটি আপনাকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করছে। কেউ কেউ বলছেন ধূমপানের কথা কোরান -হাদিসের কোথাও নেই । এটি নিষিদ্ধ হবে কিভাবে? এব্যাপারটিকে ডায়াবেটিস রোগীর সাথে তুলনা করা যায়। নতুন করে ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে এমন একজন রোগীকে ডাক্তার চিনি খাওয়া নিষেধ করলেন। । রোগী যদি বলে ডাক্তার সাহেব তো আমাকে রসগোল্লা , চমচম, সন্দেশ খেতে নিষেধ করেন নি। তাহলে কতটুকু যুক্তিসঙ্গত হবে ? সুরা মায়েদাতে ( আয়াত -৪) আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, “ তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে যে, তাদের জন্য কি হালাল করা হয়েছে ? বলুন, সকল প্রকার ভাল পবিত্র জিনিস তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। সকল প্রকার ধূমপান অপবিত্র, এর মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। এমনভাবে সকল প্রকার নেশা জাতীয় জিনিস অপবিত্র। কেউ কেউ বলতে পারেন বিড়ি , সিগারেট, খাওয়া খারাপ হলেও হুক্কাটা বোধ হয় চলতে পারে। পকৃতপক্ষে হুক্কাও ধুমপানের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এটিও ক্ষতিকর এবং এতেও তামাক ব্যবহার করা হয়।পান খাওয়া সাধারনভাবে জায়েজ রয়েছে। তবে পানের সাথে জর্দা বা তামাক থাকলে তা খাওয়া যাবে না। তামাক সরাসরি সেবন করুক প্রক্রিয়াজাত করেই ব্যবহার করুক, মুখ দিয়ে কিংবা নাক দিয়েই গ্রহণ করুক অথবা ইনজেকশন এর মাধ্যমে সেবন করুক তা-সবই নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ ! আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র রিযিক দিয়েছি তা থেকে ই তোমরা ভক্ষন কর এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। যদি তোমরা সত্যিকার অর্থে তার ইবাদত করে থাক ( বাকারা-১৭২) ।প্রকৃতপক্ষে তামাক বা জর্দা জাতীয় জিনিস খেলে শরীরে পুষ্টি সাধন , ক্ষয় পূরণ, বা বৃিদ্ধ সাধন কোনটাই হয় না। তাই একে আমরা খাদ্য কিংবা পানীয় জাতীয় কিছুই বলতে পারিনা। একে শুধু মাত্র জাহান্নামী খাবারের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। জাহান্নামীদের খাবারের ব্যাপারে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন,“ এটা তাদের পুষ্টি ও যোগায় না ও ক্ষুধা ও নিবারন করবে না। ( আল গাশিয়া ৭) ধুমপান, জর্দার সাথে পান খাওয়া, কিংবা হুক্কা খাওয়ার মাধ্যমে নফ্সকে হত্যা করা হয়। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, তোমরা তোমাদের নফসকে হত্যা করোনা। নিশ্চয়ই অল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহশীল ( সুরা নিসা ২৯)। তামাক জাতীয় দ্রব্য হালাল নাকি হারাম তা শরিয়তের কোথাও সরাসরি বলা হয়নি। তাই এটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সন্দেহজনক বিষয়ের ব্যাপারে সহিহ বোখারিতে স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইবনু বাশীর রাঃ হতে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসুলে আকরাম সাঃ বলেছেন, হালাল স্পষ্ট হারামও সুষ্পষ্ট। উভয়ের মাঝে বহু অস্পষ্ট বিষয় রয়েছে। যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয়ে লিপ্ত হলো সে প্রকারান্তরে হারাম কাজে লিপ্ত হয়ে গেল।
একজন মানুষ নিজে অন্যের ক্ষতি করতে পারে না অন্যেরও ক্ষতি করতে পাওে না। মুসনাদে আহমদের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, “ নিজের কোন অনিষ্টতা বা ক্ষতি এবং অন্য কারো ক্ষতি করা যাবে না। ”এমনকি নিজস্ব মালামাল নষ্ট করতেও রাসুল সাঃ নিষেধ করেছেন। নিজেকে নিজে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয়। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না ( বাকারা ২/৯৫) । ধূমপান করলে ধূমপায়ীর ঠোঁট, দাঁতের মাড়ি, আঙ্গুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গলায় ঘা , পেপটিক আলসারসহ কোষ্ঠ-কাঠিন্য দেখা যায়। এছাড়াও ধূমপানে যৌনশক্তি কমে যায়। ক্ষুধা কমে যাওয়াসহ স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। এক কথায় ধূমপান কোন উপকারিতা নেই। নেশার মতই খারাপ হচ্ছে মদ খাওয়া। মদের মতই সিগারেট পান করা , তা বিক্রি এবং এর ব্যবসা করা কোন ক্রমেই জায়েজ নেই। মদ যারা খান তারাও জানেন এটি খারাপ। তবে মদের মধ্যেও কিছু উপকারিতা রয়েছে কিন্তু তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে কোন বড় ধরণের উপকার রয়েছে, এমনটি শোনা যায় না। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, “ তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে । বলে দিন উভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর তার মধ্যে মানুষের উপকারিতাও আছে। তবে এগুলোর পাপ উপকারের চেয়ে বড় ( বাকারা ২/২১৯) । সিগারেট পানকারী অনেক সময় মদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। মদের ব্যাপারে কোরান- হাদিসে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মদকে দশটি দিক থেকে অভিসম্পাৎ করা হয়েছে। মদপানকারী, পরিশোধনকারী, বিক্রেতা, ক্রেতা, প্রস্তুতকারক, যার জন্য প্রস্তুত করা হয়। তাছাড়া তা বহনকারী, যার জন্য বহন করা হয় এবং এর মূল্য ভক্ষণকারীকে অভিসম্পাৎ করা হয়েছে ( মুসনাদে আহমদ) । আপনি কিভাবে সম্পদ উপার্জন করেছেন আর কিভাবে তা ব্যায় করেছেন এ কৈফিয়ত দিতে হবে হাশরের ময়দানে । এ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে কোন মুসলমান এক পা ও নড়তে পারবেন না। ধূমপানজনিত ব্যয় নিশ্চয় অপচয় ও অপব্যয়ের মধ্যে পড়ে। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, “ তোমরা অপচয় কর না। আপচয়কারীরা শয়তানের ভাই ( আল ইসরা ২৭) । ধূমপানের মাধ্যমে অর্থ-সম্পদ নষ্ট হয়। রাসুলে আকরাম সাঃ বলেন, “ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তোমাদের তিনটা বিষয় ঘৃনা করেন। ১. ভিত্তিহীন ও সনদ – সূত্রহীন কথা বার্তা ২. অধিকহারে প্রশ্ন করা ৩. সম্পদ নষ্ট করা ( বোখারি)। ডক্টর জন ষ্টোন বলেনঃ ধূমপানের কারনে সাধারণত মেজাজ কর্কশ হয়ে থাকে। ফলে দেখতে পাবেন যারা অধিক ধূমপান করে তাদের মেজাজ কর্কশ, মুখে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ , লেন দেনে দুর্ব্যবহার এবং স্ত্রীর সাথে ঝগড়া- –ঝাটি ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকে। তাই ধূমপানের চারিত্রিক ক্ষতিও কম নয়। বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি মানুষ যারা ধূমপানের কারনে । যারা ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যায়, তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ হল ধূমপান করার কারনে। যারা র্হৃদরোগে মারা যায় তাদের মধ্যে ২০ শতাংশ মারা যায় ধূমপানের কারনে। ইসলাম প্রতিবেশীর হকের ব্যাপারে খুবই সচেতন। রাসুলে আকরাম সাঃ বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতে বিশ্বাস রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয় ( বোখারি)। যিনি ধূমপান করেন তিনি তার পরিবারের স্ত্রী , পুত্র, আত্মীয় – স্বজন , বন্ধু বান্ধব ও পাড়া প্রতিবেশীকে কষ্ট দেন। তাই ধূমপান সামাজিকভাবেও সমর্থনযোগ্য নয়।
বড় অপরাধের প্রবেশ পথ হচ্ছে ধূমপান। দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি তথ্যে জানা যায়, সমাজে যারা অপরাধ করে বেড়ায় তাদের ৯৮% ধূমপান করে থাকেন যারা মাদকদ্রব্য সেবন করে তাদের ৯৫% প্রথমে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়েছে তারপর মাদক সেবন আরম্ভ করেছে। এমনকি ধূমপায়ী মায়ের সন্তান উগ্র স্বভাবের হয়ে থাকে। ধূমপান শুধুমাত্র ধুমপায়ীদেরই ক্ষতি করে না। ধুমপায়ীর পাশাপাশি অধূমপায়ীরাও ক্ষাতগ্রস্ত হয়। সিগারেটের মধ্যে নিকোটিন থাকে। চেইন স্মোকারদেও স্ত্রীদের ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারন একটিভ স্মেকারদের পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৌদি আরবের প্রধান মুফতিকে ধূমপানের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন- “ধূমপান হারাম, কেননা তা অপবিত্র এবং বিভিন্ন ধরণের ক্ষতি বহন করে, আর আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের জন্য ভাল ও পবিত্র খাবার এবং পানীয় হালাল করেছেন । পক্ষান্তরে অপবিত্র জিনিস তাদের উপর হারাম করেছেন। ”আমাদের দেশের অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে দেখা যায় র্ধমপান করতে। তাদের মাথায় টুপি, গালভর্তি দাড়ি, এবং লম্বা পাঞ্জাবি পড়া ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়ে অথচ সারাদিন ধূমপান করে। ধূমপানকে তারা পাপ হিসাবে মনে করে না। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, “ তিনি তোমাদের জন্য হালাল করে দেন ভাল ও উত্তম বস্তু আর হারাম করে দেন খারাপ ও ক্ষতিকর বস্তু ( অঅল আরাফ ১৫৭)। হারাম খাদ্য খেয়ে ইবাদত করলে তা কবুল হবে না। রাসুলে আকরাম সাঃ কোন ব্যক্তির দীর্ঘ ভ্রমণের কথা জানিয়ে বলেন, লোকটির কেশ এলোমেলো অবস্থায় আকাশের দিকে হাত বাড়িয়ে বলে, হে আল্লাহ! অথচ তার আহার হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক পরিচ্ছেদ হারাম, শরীর গঠন হয়েছে হারাম দিয়ে, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন, তাহলে কিভাবে তার দোয়া কবুল হবে ( মুসলিম) ? কাজেই আমাদের উচিত হারামখাদ্য ত্যাগ করে পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করা। ধুমপানকারী ব্যক্তি হজ্ব করতে গেলে সেখানেও তারা হোটেলে বা অন্য যায়গায় ধূমপান করে থাকেন। ধূমপানকারীর হজ্ব সঠিকভাবে কবুল হবে কিনা তা নিয়ে ওলামাগণ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। “ যখন কোন ব্যক্তি অপবিত্র মাল দ্বারা হজ্বের জন্য বের হয়ে তার পা বাহনে রেখে লাব্বাইক বলে তাকবীর দেয়, তখন আকাশ থেকে আহবানকারী বলতে থাকেন কোন লাব্বায়েক নয় এবং তোমাকে স্বাগতও নয়। তোমার আহার হারাম, তোমার মাল হারাম এবং তোমার হজ্ব তোমার উপর প্রত্যাখ্যাত ( তাবরানী)। আবু দারদা রাঃ বলেন, রাসুল সাঃ বলেছেন, সর্বদা নেশাদার দ্রব্য পানকারী জান্নাতে যাবে না ( ইবনু মাজাহ) । তাহলে প্রতিদিন ১০টি সিগারেট, জর্দা সহ ৮/১০টি পান কিংবা অন্য কোনভাবে তামাজাত দ্রব্য সেবনকারীরা জান্নাতে যাওয়ার আশা করবেন কিভাবে ? যারা এখন ও র্ধুমপান করছেন তারা অবশ্যই আল্লাহর কাছে তওবা করবেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেছেন- “ হে মুমিনগণ তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তওবা কর। হয়তো তোমরা সফলকাম হতে পারবে (নূও -৩১)। ধূমপায়ীরা পূর্বের পাপের কথা স্মরণ করে খালিস নিয়তে তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করতে পেেরন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেছেন, “আমি ক্ষমাশীল সেই ব্যক্তির জন্য, যে ব্যক্তি তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, অতঃপর হেদায়েত প্রাপ্ত হয় ( তোহা-৮২) । যারা তামাক নিজে গ্রহণ করেন না। কিন্তু তামাক চাষ, প্রক্রিয়াজাতকরন কিংবা তামাক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত তাদের উচিত এ পেশা থেকে ফিরে আসা। এটা আপনার রিজিকের প্রধান অবলম্বন হলেও আল্লাহকে ভয় করুন। দুনিয়ার লোভে আখিরাতকে ধ্বংস করবেন না। যেসব ব্যবসায়ীরা বা দোকানদাররা অন্যান্য পন্যের পাশাপাশি বিড়ি-সিগারেট বা তামাক জাতীয় পণ্য বিক্রি করেন তারা এগুলো বিক্রি করা থেকে বিরত থাকবেন। আল্লাহ যার প্রতি খুশি তাকে আল্লাহ ধারণাতীত উৎস থেকে রিজিক দিবেন। যে যেভাবেই বা যে কারনেই ধূমপানে আসক্তি হোন না কেন পরবর্তীতে নিজের কথা ভেবে, নিজের স্ত্রী-সন্তানের কথা ভেবে তা ছাড়ার চেষ্টা করেন। কারন ধুমপায়ীরা তাদের সন্তানদের অতিরিক্ত ভালভাসলেও তারা তার নিকট থেকে ধূমপানের শিক্ষা লাভ করুক তা কোন মা-বাবাই চান না। বরং নিজেইতা ছাড়ার চেষ্টা করেন। এব্যপারে দু/চারবার ওয়াদা করেন নি এমন লোক পাওয়া বোধ হয় কঠিন হবে? একজন মার্কিন লেখক বলেছেন ধূমপান ছাড়া যায় না কে বলেছে ? আমি হাজার বার ছেড়েছি। তবে আল্লাহকে ভয় করে আপনি ওয়াদা করলে হাজারবার ছাড়তে হবে না । একবার ছাড়লেই হবে। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন, “ এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করে তিনি তার কাজকে সহজ করে দেন। সুতরাং ধূমপান ছাড়ার জন্য আপনার ইচ্ছা শক্তিই যথেষ্ট, সাথে অবশ্যই অঅল্লাহর রহমত কামনা করতে হবে। ।

লেখকঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক , সাংবাদিক ও ধর্মীয় গবেষক, কুমিল্লা।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা