এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বাইডেনের মন্ত্রিসভায় যারা আসছেন

বিভাগ : আন্তর্জাতিক প্রকাশের সময় :১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৬ : পূর্বাহ্ণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার (২০ জানুয়ারি) শপথ গ্রহণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী নতুন প্রেসিডেন্টের শপথে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকেন। কিন্তু এবার সে নিয়ম আর থাকছে না। প্রথা ভেঙে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানে তিনি থাকবেন না। তবে পিছিয়ে নেই জো বাইডেন। ইতোমধ্যেই অনেকের নাম ঘোষণা করেছেন, কারা থাকবেন তার মন্ত্রিসভায়। আর অনেকের নাম ঘোষণা করেননি। তবে মন্ত্রিসভায় ও রাষ্ট্রীয় অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে বাইডেন কাদের নিয়ে আসছেন, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পত্র-পত্রিকায় বিস্তর লেখা-লেখি হচ্ছে। নিউইয়র্কের ইন্টেলিজেনশিয়ার প্রতিবেদন থেকে এখানে তুলে ধরা হলো, কারা থাকছেন বাইডেনের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে:

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ: রন ক্লেইন। তিনি ওবামা প্রশাসনে ইবোলা রেসপন্স কোর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সিআইএ পরিচালক: উইলিয়াম বার্নস। তিনি ছিলেন একজন ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট।

ট্রেজারি সেক্রেটারি (অর্থমন্ত্রী): জ্যানেক ইলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী

অ্যাটর্নি জেনারেল: মেরিক গারল্যান্ড। ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্টে তার নিয়োগ আটকে দেয়া হয়েছিলো।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী: লয়েড অস্টিন। চার তারকার এই সেনা জেনারেল ২০১৬ সালে অবসরে যান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অ্যান্টনি ব্লিংকেন। ওবামা প্রশাসনে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।

পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার প্রশাসক: মাইকেল এস রিগান। ২০১৭ সাল থেকে তিনি নর্থ ক্যারোলিনার পরিবেশ বিষয়ক প্রধান ছিলেন।

জলবায়ু বিষয়ে প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত: জন কেরি। ওবামা প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছে।

হোয়াইট হাউজ ক্লাইমেট জার: জিনা ম্যাকার্থি। অতীতে পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী: ডেব হার‌্যান্ড। এই দায়িত্বে প্রথম কোনো নেটিভ আমেরিকান দায়িত্ব পেলেন।

শ্রমমন্ত্রী: মার্টি ওয়ালশ। অতীতে তিনি বোস্টন ট্রেড কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী: জিনা রাইমন্ডো। তিনি প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণও দেখাশোনা করবেন।

অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তামন্ত্রী: আলেজান্দ্রো মেয়রকাস। ওবামা প্রশাসনে এই পদে ডেপুটির দায়িত্ব পালন করেন। জন্ম কিউবার রাজধানী হাভানায়।

ভ্যাটার্নস অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী: ডেনিস ম্যাকডংউ। ওবামা প্রশাসনে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ ছিলেন।

পরিবহনমন্ত্রী: পিট বুটিগিগ। ইন্ডিয়ানার সাউথ বেন্ডের মেয়র ছিলেন।

জ্বালানিমন্ত্রী: জেমিফার গ্র্যানহম। পরিবেশবান্ধব জ্বালনি পরিচালনায় তার সাফল্য আছে।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত: লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড। যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব দরবারে আবার গ্রহণযোগ্য করায় মনোনিবেশ করা হবে।

জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক: এভ্রিল হেইন্স। তিনি ১৭টি গোয়েন্দা সংস্থার কাজ তদারকি করবেন।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা: জ্যাক সুলভান। জো বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকার সময় তাকে এই কাজে সাহায্য করেছেন।

অফিস ব্যবস্থাপনা ও বাজেট পরিচালক: নিরা টান্ডেন। সেন্টার ফর আমেরিকান প্রোগ্রেস এর প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি: জেনিফার প্যাসকি। ওবামা প্রশাসনে যোগাযোগ সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

হোয়াইট হাউসের শীর্ষ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা: ব্রেইন ডিইস। বেইল ইউট বিষয়ে ওবামা প্রশাসনে কাজ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি: ক্যাথেরিন টাই। ওবামা প্রশাসনে চীন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংক্রান্ত আইনজীবী ছিলেন।

সার্জন জেনারেল: ভিভেক মার্থি। ওবামা প্রশাসনে যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল ছিলেন।

স্বাস্থ্য এবং মানবসেবা মন্ত্রী: জভিয়ে বেকারা। ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।

হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ নীতি বিষয়ক পরিচালক: সুসান রাইস। ওবামা প্রশাসনে পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়নে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

কৃষিমন্ত্রী: টম ভিলস্যাক। আইওয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ছিলেন।

গৃহায়ন ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী: মার্সিয়া ফাডজ। ওহিও থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য।

শিক্ষা বিভাগমন্ত্রী: মিগুয়েল কার্ডন। যুক্তরাষ্ট্রে একজন শীর্ষ শিক্ষাবিদ হিসেবে সুপরিচিত।

কোভিড ১৯ সমন্বয়ক: জেফ জিয়েন্টস। ২০১৩ সালে সরকারের স্বাস্থ্যনীতিতে কাজ করেছেন।

কোভিড রেসপন্স বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্ত: ডেভিড ক্যাসলার। ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশনে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন।

কোভিড ১৯ বিষয়ক চিফ মেডিকেল অফিসার: ড. অ্যানথনি ফাউচি। এই বিভাগে গেল প্রশাসনেও কাজ করেছেন।

ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: ব্রুস রিড। দীর্ঘদিন ধরে বাইডেনের পরামর্শক।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা