এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১

শার্শার গোগাতে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীর (কাবিখা) কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

বিভাগ : দেশের খবর প্রকাশের সময় :৪ মে, ২০২১ ২:২২ : অপরাহ্ণ



বেনাপোল প্রতিনিধি:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় (এলজিইডি) এর অর্থায়নে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচী (কাবিখা) এর আওতায় সড়কসহ অন্যান্য স্থানের মাটি কাটার কাজে শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়ানের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড ইছাপুর ও সেতাই এলাকায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা গেছে, এই ওয়ার্ডে ইছাপুর প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন একটি পুকুরে মাটি কাটার কাজে দিনে ৬৩ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা থাকলেও ১২/১৪ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। গত ৮ দিন যাবৎ এই অবস্থা চলছে। ওই এলাকায় মঙ্গলবার সকালের দিকে যেয়ে মাত্র ১২ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে।
কর্মরত শ্রমিকদের আলেয়া, আছিরন, আরজিনা, এরশাদ আলী, মোহাম্মাদ আলী এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন এখানে আমাদের প্রতিদিন ৬৩ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা। কিন্তু ১২/১৪ জন এর বেশী কাজ করেনা। আবার প্রতিদিন একজন শ্রমিককে দিন প্রতি ২শত টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ১৫০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৫০ টাকা পরে কাজের শেষে দেওয়া হবে বলে বলা হচ্ছে।
সেতাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি আছাদুজ্জামান কাজল জানান. শুনেছি এইখানে প্রতিদিন ৬৩ জন এর কাজ করার কথা কিন্তু ১২/১৪ জন এর বেশী আমি দেখিনি।
গোগা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, যে কয়জন কাজ করছে সে কয়জনের বিল পাবে। অতিরিক্ত কেউ কোন টাকা পাবে না।
আর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ বলেন, ইউনিয়নের এই কর্মসুচিতে যারা কাজ করছে তাদের হাজিরা অনুযায়ী বিল দেওয়া হবে। কোন অনুপস্থিত শ্রমিককে টাকা দেওয়া হবে না বা তাদের নামে বিল করা হবে না। বিগত ৫ বছর যাবৎ একই কায়দায় কাজের বিল করা হচ্ছে এ সম্পর্কে তিনি বলেন আপনারা প্রমান করে দেখান।
অভিযোগে জানা গেছে, ৫ বছর যাবৎ কাবিখার এই কাজে বরাদ্দকৃত শ্রমিকের টাকা কম শ্রমিক কাজ করা সত্বেও প্রকৃত শ্রমিক কাজ করছে দেখিয়ে বিল করা হচ্ছে এবং এই টাকা উত্তোলন করে আত্নসাৎ করা হচ্ছে বলেও শোনা গেছে।
এ সম্পর্কে এই প্রকল্পের প্রকল্প অফিসার লাল্টু মিয়া বলেন, ধান কাটা মৌসুমে শ্রমিক সংকট চলছে। যে কয়জন কাজ করছে তারাই শুধু টাকা পাবে।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলীফ রেজা বলেন, অভিযোগের বিষয়টি মনিটরিং করা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা