এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১

সান্তাহারে ট্রে’তে বীজতলা, যন্ত্রপাতিতে রোপন-কর্তন

বিভাগ : দেশের খবর প্রকাশের সময় :১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ৭:১১ : অপরাহ্ণ

বগুড়া প্রতিনিধি :

বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রথম বারের মতো কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ শুরু করা হয়েছে। উপজেলার সান্তাহার ইউপির পান্নাথপুর মাঠে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ট্রে পদ্ধতিতে বীজতলা ও চারা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই পদ্ধতি অবলম্বনে চাষিরা লাভবান হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের পান্নাথপুর, পানলা ও কেল্লাপাড়া মাঠের ১৫০ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের এই ধান চাষ করা হবে। একারনে পান্নাথপুর মাঠে ৪হাজার ৫০০টি ট্রে’তে ৩০০ কেজি বীজ বপন করে চারা তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে এই প্রথম বার বীজতলা ও চারা তৈরির কাজে সার্বিক তত্বাবধানে রয়েছেন সান্তাহার ও ছাতনী ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুল আহসান কাঞ্চন। শুধু তাই নয় এবার ট্রে’তে বীজতলা, যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপন ও কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে ধান কাটাও হবে। অর্থাৎ এবার আধুনিক পদ্ধতিতেই কৃষি কাজ সম্পন্ন হবে। এ পদ্ধতিতে চাষিরা কম খরচে তাদের ধান ঘরে তুলতে পারবে।
পান্নাথপুরের কৃষক বাবলু খান ও মোশারফ হোসেন জানান, এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে শ্রমিকের মজুরি কম লাগবে। এতে ধানের উৎপাদন খরচ কমে যাবে। তাছাড়া হাইব্রিড জাতের এই ধান চাষে ফলন বৃদ্ধি পাবে। ফলে আধুনিকতার ছোয়ায় কৃষকরা লাভবান হবে।
ইতিমধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ জিএমএ গফুর, উপপরিচালক কৃষিবিদ দুলাল হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ শাহাদুজ্জামান, (উদ্যান) কৃষিবিদ আ.জা.মু আহসান শহীদ সরকার, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ দিপ্তী রানী রায় ও কৃষি প্রকৌশলী আবু সাঈদ চৌধুরী বীজতলা পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, দিন দিন আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। ফলে কৃষিতে শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাচ্ছে, তাতে করে ধানের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ধানের উৎপাদন খরচ কমাতে দেশের ৪৯২ উপজেলার মধ্যে ৬১টি উপজেলায় প্রথমবারের মতো এই পদ্ধতিতে চাষ করা হচ্ছে। এর আওতায় উপজেলার সান্তাহারেও ১৫০ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করা হবে।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা