এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, রোববার, ৭ মার্চ ২০২১

সৈয়দপুর পৌর নির্বাচনে সহিংসতার ছক এঁটেছে বিএনপি, বিপাকে আওয়ামীলীগ জাতীয় পার্টি

বিভাগ : দেশের খবর প্রকাশের সময় :২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৩ : অপরাহ্ণ


মোতালেব হোসেন :

স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথম আওয়ামীলীগের পৌরমেয়র হলেও পরবর্তীতে এরশাদের স্বৈরশাসনামলে জাতীয় পার্টি থেকে জিকরুল হক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে একবারের জন্য আওয়ামীলীগের আকতার হোসেন বাদল মেয়র হলেও দীর্ঘ ত্রিশ বছর পৌরমেয়রসহ প্রায় সকল কাউন্সিলর বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ত্রিশ বছরের ধারাবাহিক ইতিহাস থেকে দেখা যায় প্রায় সকল নির্বাচনে বিএনপির মেয়রের গোপন এজেন্ট হিসাবে কাজ করেন আওয়ামীলীগের একাধিক  শীর্ষ¯ স্থানীয় দূর্নীতিবাজ কিছু নেতা। তারা ২০১১ সালের নির্বাচনে প্রায় প্রকাশ্যেই দলীয় প্রার্থী আকতার হোসেন বাদলের বিরুদ্ধে গিয়ে সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের কালো টাকার কাছে বিক্রি হয়ে টেলিফোন মার্কার ভোট করে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়।

এটাই শেষ নয় গত ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনেও সেই সব নেতারা বিএনপি দলীয় গডফাদার তৎকালীন পৌরমেয়র আমজাদ হোসেন সরকারের কালো টাকার কাছে বিক্রি হয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে পরাজিত করেন যা পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে নৌকা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন খোকন নিজেই সেইসব দূর্নীতিবাজ ও বিএনপি দলীয় নেতার এজেন্টদের নাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন। এবারও হয়ত তার ব্যাতিক্রম হবেনা। ২০২১ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা মার্কার প্রার্থী দিয়েছেন জননেতা আখতার হোসেন বাদলের সহধর্মীনিকে এবং দলকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন তার পক্ষে সকল শক্তি নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য।

আসন্ন নির্বাচনের শুরুতেই প্রচার প্রচারনার মাঠে আওয়ামী নেতাদের বক্তব্যে কৌশলে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর সমালোচনা না করে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করা শুরু করেন। জাতীয় পার্টিও তার জবাবে আওয়ামীলীগ নেতাদের কুকর্ম ফাঁস করতে থাকেন। এরই এক পর্যায়ে গত ২০শে ফেব্রুয়ারী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী জনসভায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক তার বক্তব্যে আওয়ামীলীগ নেতাদের সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করলে স্থানীয় নেতাদের সাথে শুরু হয় তার সাথে বাক বিতন্ডা। তারই মাঝে উভয় দলের কিছু বিশৃঙ্খল নেতাকর্মী হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা রাস্তায় থাকা কিছু যানবাহন ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এই ব্যাপারে একাধিক নেতাকর্মী মনে করেন শরীক দুই দলের মারামারিতে বিএনপির নীল নকশা থাকতে পারে। এই দুই দলকে কোন্দলে জড়িয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত করে তারা ফায়দা লুটার আশায় রয়েছেন।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা