এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

মেহেরপুরের কাশফুলের সমুদ্র ঢেউ মন কাড়বে যে কারোরই

বিভাগ : লাইফস্টাইল প্রকাশের সময় :২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ৩:২৭ : অপরাহ্ণ

মেহেরপুর প্রতিনিধি :
এসেছে শরৎ জেগেছে কাশবন। নীল আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুলের সমুদ্র ঢেউ প্রকৃতি একাকার হয়ে সেজেছে অপরুপ সাজে। শুভ্র আলোয় যেনো ভরিয়ে দিচ্ছে চারপাশ। মেহেরপুরের পুলিশ লাইনের পাশে খড়ের মাঠের কাশফুলের এই মেলায় বিমোহিত হচ্ছে সৌন্দর্য পিয়াসীরা।

বর্ষার একঘেয়িমিতার পর প্রকৃতিতে হঠাৎ করে এসেছে এক অপরুপ পরিবর্তন। নদী নালা মাঠ জুড়ে ছেয়ে গেছে সাদা কাশফুল। আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে সাদা মেঘের ভেলা। পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘ আকাশকে যেন অপুরুপ সৌন্দর্যে সাজিয়েছে। মেহেরপুর পুলিশ লাইনের পাশে খড়ের মাঠে গেলে দেখা মিলবে এমনি এক দৃশ্যের। মাঠজুড়ে সাদা কাশফুলের সমারহ, যে কোন মানুষকেই উদ্বেলিত করে। শেষ বিকেলের আলো, মৃদু হাওয়ায় দোল খাওয়া সাদা কাশ ফুল আর গোধূলির লাল সূর্য যখন অস্তাচলে তখন প্রকৃতি হয়ে ওঠে আরও মায়াবী। আর এ দৃশ্য মন কাড়ে তরুন তরুনীদের।

কাশফুলের ছোঁয়া পেতে দর্শনার্থীরাও আসছেন। তারা অনুভূতিগুলো ক্যামেরায় বন্দি করছেন। এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সবার মন ছুঁয়ে যায়। করোনার কারনে আমাদের সময় যেন থমকে গেছে। কিন্তু প্রকৃতি থেমে নেই, এসেছে নতুন সাজ। দিন শেষে শরতের সাদা মেঘ আর কাশফুলের শুভ্রতায় নিজেদের মনকে শুভ্র করি।’

লেখক শাশ্বত নিপ্পন বলেন, কাশফুলের এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে আবেগি হয়ে পড়েন কবি সাহিত্যিকরাও। সৃষ্টি করতে চান নতুনত্বের।অমল ধবল শুভ্র কাশফুল বাঙালি বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। বাঙালিকে যুগ যুগ ধরে প্রভাবিত করে আসছে। শরৎ বাঙালি জীবনের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন প্রাকৃতিক উপহার। এই প্রাকৃতিক উপহার ছাড়া বাঙালি জীবন অর্থহীন।তাই শরতের কাছে,প্রকৃতির কাছে ,কাশফুলের কাছে বাঙালি চিরকাল ঋনী ছিল থাকবে।

আর পরিবেশবিদ এনামুল আযীম বলেন, কাশফুল সমাজ সংস্কৃতির কথা মনে করিয়ে দেয়।কাশফুল উন্নত বা অনবদ্য ফুল নয় তারপরও সৌন্দর্য় মনকে পুলকিত করে। কাশফুল প্রকৃতিকে নতুনভাবে সাজালেও নগর সংস্কৃতির কারণে তা এখন বিলিনের পথে। শরতের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এগুলোকে সংরক্ষনের দাবি জানান তিনি।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা