বরগুনার বামনায় জুলাই আন্দোলনের শহীদ ইসহাক জমাদ্দারের লাশ আইনি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক কারণ ও মানসিক কষ্টের কথা উল্লেখ করে লাশ উত্তোলনে লিখিত অসম্মতি জানিয়েছে শহীদের পরিবার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার শ্যামলী ক্লাব মাঠের বিপরীতে স্বৈরাচারবিরোধী বিজয় মিছিল চলাকালে গুলিতে নিহত হন বামনা উপজেলার বেবাজিয়াখালী গ্রামের মৃত আজিজ জমাদ্দারের ছেলে মো. ইসহাক জমাদ্দার। ঘটনার দীর্ঘ ১ বছর পর বিজ্ঞ আদালতের আদেশে শহীদের কবর থেকে লাশ উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) লাশ উত্তোলনের জন্য বরগুনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ সাইফুল্লাহ এবং বামনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুল ইসলাম সঙ্গী ফোর্সবৃন্দসহ উপস্থিত হন। এ সময় শহীদ ইসহাকের ছেলে মো. সবুজসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা লাশ না তোলার বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। পরিবারের লিখিত অসম্মতির ভিত্তিতে প্রতিনিধি দল লাশ উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত রাখে।