নামের পাশে হার একটি হলেও সময়টা খুব একটা ভালো কাটছে না লিভারপুলের। মানে অলরেডসুলভ।
গতকালের আগে ৪ জয়ের বিপরীতে দেখেছিল ৩ ড্র। তবে নিজেদের দিনে লিভারপুল কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা টের পেল লাস্ক।
লাস্ককে তাদেরই মাঠে গুঁড়িয়ে দিয়েছে লিভারপুল। ৬-৩ গোলের বড় জয়ে যেন নিজেদেরও ফিরে পেয়েছে তারা।
জয়ের রাতে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে রাতের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন ব্র্যাডলি বারকোলা। পিএসজি থেকে ১২৫ মিলিয়ন ইউরোয় কেন কেনা হয়েছে তার ঝলকই যেন দেখালেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে লাস্ককের রক্ষণভাগ ব্যস্ত রাখেন বারকোলা-ফ্লোরিয়ান ভির্টৎসরা। গোলের জন্য অবশ্য ২২ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
আর প্রতিপক্ষের গোলমুখ খোলেন বার্সেলোনা থেকে ধারে লিভারপুলে আসা ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো। কন্সটান্টিনস সিমিকাসের কর্নার থেকে হেডে লিভারপুলের হয়ে ক্যারিয়ারেরও প্রথম গোল করেন এই ডিফেন্ডার।
এরপর শুরু হয় বারকোলা জাদু। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুল করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
প্রথম ছয় ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট না পাওয়া বারকোলা যেন আজ জ্বলে উঠলেন প্রয়োজনের সময়।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ফ্লোরিয়ানের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটিরও দেখা পান বারকোলা। বিরতির পর ম্যাচে ফেরার বিপরীতে উল্টো হজম করে লাস্ক। ৫১ মিনিটে সিমিকাসের ক্রস থেকে হেডে দলের ব্যবধান ৪-০ জেরেমি ফ্রিমপং। ৬৩ মিনিটে অবশ্য লাস্কের হয়ে ব্যবধান কমান রবার্ট লুবিচিচ।
তবে তিন মিনিট পরেই আবার গোল হজম করে লাস্ক। এবার ফ্রিমপংয়ের পাস থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বারকোলা। লিভারপুলের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক। ফিরতি গোলেও অ্যাসিস্ট করেন ফ্রিমপং। তার পাস থেকে গোল করেন লুইস কুমাস। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-১। শেষ দিকে ফ্লোরিয়ান ফ্লেকার ৭৪ ও ৭৭ মিনিটে জোড়া গোল করে শুধু ব্যবধান কমান।