রংপুর

পঞ্চগড়ে রাস্তার সিসি ঢালাইয়ে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা ইউনিয়নের রাস্তার সিসি করনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৮ লক্ষ টাকা। সে প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা ইউনিয়নের ওই রাস্তায় সিসি ঢালাইয়ের সময় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢালাইয়ে ১০ বাই ১০ ইঞ্চি করে রড দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে ১২ থেকে ১৪ ইঞ্চি করে প্রস্থ। দৈর্ঘ্য দেয়া হয়েছে ২২ ইঞ্চি। দেয়া হয়েছে নিম্নমানের ইটের খোয়া। ২/৩ নাম্বার ইটের খোয়ার সাথে রয়েছে ইটের গুড়া রাবিশ। ইটের খোয়া আর বালু দেয়া হয়েছে প্রতি সিমেন্টের বস্তায় ৮ ট্যারা করে। যেখানে দেয়ার নিয়ম রয়েছে ৪ ট্যারা করে। ঢালাই দেয়ার সময় গণমাধ্যম কর্মীরা সেখানে গিয়ে দেবীগঞ্জ প্রকল্প অফিসের কাউকে পাননি। প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যরাও কেউ ছিলনা। প্রকল্প সভাপতি শালডাংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলামও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে গণমাধ্যম কর্মীরা সেখানে হাজির হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর তড়িঘড়ি করে ছুটে আসেন সেখানে। তবে প্রকল্পের বিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন। 

দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকল্পের কাজগুলো সঠিক ভাবে তদারকি করলে এসব অনিয়ম আর দূর্নীতি কমানো সম্ভব বলে সচেতন মহল মনে করছেন। 

জানা যায় দেবীগঞ্জ প্রকল্প অফিসের প্রত্যেকটি কাজই পিআইও বাবুল চন্দ্র রায়ের নিযুক্ত মিস্ত্রি রুবেল করে দিচ্ছেন। ধারনা করা হচ্ছে ৮ লক্ষ টাকার মধ্যে সেখানে প্রায় ৫/৬ লাখ টাকার কাজ হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রুবেল মিস্ত্রিকে পিআইও অফিসে বসে থাকতে দেখা যায়। পিআইও এর কথা মত সব কাজ দেখাশুনা করেন। 

দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, ইটের খোয়া ৪ টি করে দেয়ার নিয়ম রয়েছে। ৮ টি দেয়ার কোন নিয়ম নাই। ঢালাই দেয়ার সময় অফিসের কেউ উপস্থিত না থাকার বিষয়ে বলেন, রুবেল নামের এক মিস্ত্রি সেখানে আছে। সে কাজ করছে এবং দেখাশোনা করছে। তিনি অফিসের কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন উত্তর দেননি। 



সম্পর্কিত খবর