জাতীয়

বাজার ও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, মজুদদারি করলেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সকল খাতের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছেন, এই সিন্ডিকেট যেকোনো মূল্যে ভাঙা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাজার সিন্ডিকেট ও অবৈধ মজুদদারি ঠেকাতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। এই আইনে মজুদদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাই অসাধু ব্যবসায়ীদের ভেবেচিন্তে মজুদদারি করার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট এবং আড়ত পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আমাদের কৃষকেরা কঠোর পরিশ্রম করেও ফসলের ন্যায্য দাম পান না। বাজারে আসার পর তাঁরা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন।”

তিনি আরও জানান, আগে এক মণ (৪০ কেজি) পাট বা পেঁয়াজ বিক্রির সময় অতিরিক্ত ২ কেজি করে ‘তোলা’ (অতিরিক্ত পণ্য গ্রহণ) দিতে হতো। এরপর বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়ারাও কৃষকের কাছ থেকে তোলা আদায় করত। ফলে দেখা গেছে প্রতি মণে কৃষককে ৪৫ কেজি পর্যন্ত পণ্য দিতে হতো। এটি পুরোপুরি অন্যায় ও অনায্য।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব। ইতিমধ্যেই সকল হাট-বাজারে প্র প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

যেসব ব্যবসায়ী তোলা ছাড়া পণ্য কিনতে চান না, তাঁদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা বাজার ছেড়ে চলে যান। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবসায়ী তৈরি হয়ে যাবে।”

আইনমন্ত্রীর বাজার পরিদর্শনকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 


সম্পর্কিত খবর