ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত মোট নয়টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নয়জন প্রার্থী পৃথকভাবে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে আদালত চারটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন। আর দুটির ওপর শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য রয়েছেন। বাকি তিনটি এখনো কার্যতালিকাভূক্ত হয়নি।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক "নির্বাচনী” আবেদনপত্র; যে সব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানী করিবেন।’
যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য আবেদন গ্রহণ করেছেন সেগুলো হলো, শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা–৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা–৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লা ও গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
আদালতে জামায়াতে ইসলামীর তিন প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাহেমীন চৌধুরী।
শেরপুর-১ আসনের ফলাফল বাতিল এবং আবার নির্বাচন চেয়ে আবেদনটি করা হয়েছিলো।
আবেদনকারীদের আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা ঢাকা ছয়, ঢাকা সাত এবং গাইবান্ধা চার নিয়ে গেলাম।
আদালত শুনলেন। আমরা বেশ কিছু জিনিস দেখালাম। দেখার পরে আদালত সন্তুষ্ট হলেন এবং সবগুলো এডমিট করে নোটিশ ইস্যু করলেন।
এদিকে রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য রোববারের কার্যতালিকায় রয়েছে। তবে নয়টির মধ্যে বাকি তিনটি কারা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি।