টপ নিউজ

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা

সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবেশবান্ধব ও স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করতে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে সরকার।

 

নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধন, নবায়ন, ফিটনেস, গতিসীমা ও নির্দিষ্ট সড়কে চলাচলের বিধিনিষেধ নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আজ রোববার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নতুন বিধিমালা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

 

নতুন বিধিমালার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে জানানো হয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ চার্জিং ও যত্রতত্র চলাচল বন্ধ করা। বিধিমালার আওতায় নিবন্ধন বা নবায়ন ছাড়া কোনো অটোরিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না।

 

বিধিমালায় দুই যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। প্রতিটি ই-রিকশার ফিটনেস সনদ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা।

 

 

বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি অটোরিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত ই-রিকশায় দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট রাখতে হবে।

 

এ ছাড়া একটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ধরা হয়েছে ১২ বছর। এই সময়ের পর নিবন্ধন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

 

 

যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় গতিসীমা সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে।

 

জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস রুট, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ ঘোষিত সড়কে অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত অটোরিকশা অন্য সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।

 



সম্পর্কিত খবর