বান্দরবানে ভুয়া জোতে ট্রাকের ট্রাক অবৈধ কাঠ পাচার করছে কথিত কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল আরমান। আওয়ামী সরকারের দোসর এই কাঠ ব্যবসায়ী শুধু সড়কপথে নয় নদীপথেও কাঠ পাচার করছে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী নদীপথে পাচারের চেষ্টাকালে তার অবৈধ একটি কাঠের চালান আটক করেছে। আটক কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
১০ আগস্ট বান্দরবান সদর জোনের নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে নদীপথে পরিবহন করা একটি কাঠের চালান সন্দেহজনক মনে হলে উজানী পাড়া কাঠের ফিল্ডে কাঠ উত্তোলনের সময় তা আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল আরমান কাগজপত্রের আড়ালে আনুমানিক ৪০ ঘনফুট কাঠ নদীপথে পরিবহনের চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নজরে আসার পর বান্দরবান সদর জোনের সদস্যরা চালানটি আটক করে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
পরে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চালানের কাগজপত্র, কাঠের ধরন, পরিমাণ ও বৈধতা যাচাই করেন। যাচাই ও পরিমাপ শেষে চালানটিতে ৪০ ঘনফুট অবৈধ কাঠ শনাক্ত করা হয়। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, আটক কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এদিকে জেলা সদরের উজানী পাড়া ও ক্যাচংঘাটা স-মিলে আব্দুল্লাহ আল আরমানের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ এখনো মজুত আছে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানিয়েছে আব্দুল্লাহ আল আরমান বান্দরবান বন বিভাগ ও পাল্পউড বন বিভাগ থেকে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে বেশ কয়েকটি ভুয়া জোত ইস্যু করিয়ে নিয়েছে। আর এসব ভুয়া জোতের আড়ালে সে সমান তালে কাঠ পাচার করছে। অভিযোগ রয়েছে জোতের আড়ালে আব্দুল্লাহ আল আরমান জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বনাঞ্চলের গাছ কেটে পাচার করছে।
এই বিষয়ে আরমান দৈনিক সাঙ্গুকে বলেন আমি কাঠ পাচারে জড়িত নই। বরঞ্চ বনবিভাগে জোতের নামে জুলুম করছে। তারা জোত করতে প্রতি সিএফটি কাঠ থেকে ৫০ টাকা আদায় করছে। জোত করতে বনবিভাগসহ আইন শৃঙ্গলা বাহিনী সবাইকে টাকা দিতে হয়। এই বিষয়য়ে আপনার লিখেন আমরা সহযোগিতা করবো।