রংপুর

রৌমারী সোনালী ব্যাংকে ৩৬ হাজার জাল টাকাসহ যুবক আটক

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সোনালী ব্যাংকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিতে গিয়ে ৩৬ হাজার টাকার জাল নোটসহ রেজাউল করিম নামে এক যুবক পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।

৩৬ হাজার জাল টাকা সহ রেজাউল করিম (৩৩) নামের এক যুবককে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর দেড় টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী সোনালী ব্যাংক রৌমারী শাখায়। এঘটনায় ম্যানেজার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। 

 

পুলিশ, ব্যাংক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা রশিদের মাধ্যমে ক্যাশে জমা দেন। এসময় ক্যাশ অফিসার দেলোয়ার হোসেন টাকাগুলো পরীক্ষার-নিরিক্ষার জন্য মেশিনে দিলে ২৬ টি এক হাজার ও ২০ টি ৫’শ টাকার জালনোট চিহ্নিত হয়। পরে ক্যাশ অফিসার বিষয়টি ম্যানেজার আয়নাল হককে অবগত করেন। পরে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার আয়নাল হক ব্যাংকের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এসআই পরিতাস ঘটনাস্থলে এসে টাকাসহ রেজাউলকে থানায় নিয়ে যান। 

 এঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক উপজেলার সদর ইউনিয়নের চুলিয়ার চর গ্রামের মাহা আলমের ছেলে বলে জানা গেছে। 

 

রৌমারী সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আয়নাল হক জানান, জালটাকার নোটগুলো ব্যাংক রশিদের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলার মির্জা আব্বাস নামের এক ব্যক্তির নামে টিটি করছিলেন। পরে জালনোট চিহ্নিত হলে তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়।  

 

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী জানান, এঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং আসামীকে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

 

৩৬ হাজার জাল টাকা সহ রেজাউল করিম (৩৩) নামের এক যুবককে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর দেড় টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী সোনালী ব্যাংক রৌমারী শাখায়। এঘটনায় ম্যানেজার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। 

 

পুলিশ, ব্যাংক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা রশিদের মাধ্যমে ক্যাশে জমা দেন। এসময় ক্যাশ অফিসার দেলোয়ার হোসেন টাকাগুলো পরীক্ষার-নিরিক্ষার জন্য মেশিনে দিলে ২৬ টি এক হাজার ও ২০ টি ৫’শ টাকার জালনোট চিহ্নিত হয়। পরে ক্যাশ অফিসার বিষয়টি ম্যানেজার আয়নাল হককে অবগত করেন। পরে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার আয়নাল হক ব্যাংকের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এসআই পরিতাস ঘটনাস্থলে এসে টাকাসহ রেজাউলকে থানায় নিয়ে যান। 

 এঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক উপজেলার সদর ইউনিয়নের চুলিয়ার চর গ্রামের মাহা আলমের ছেলে বলে জানা গেছে। 

রৌমারী সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আয়নাল হক জানান, জালটাকার নোটগুলো ব্যাংক রশিদের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলার মির্জা আব্বাস নামের এক ব্যক্তির নামে টিটি করছিলেন। পরে জালনোট চিহ্নিত হলে তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়।  

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী জানান, এঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং আসামীকে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। 

 



সম্পর্কিত খবর