হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত নীলফামারীর জলঢাকায় জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় এ উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
শনিবার রাতে জলঢাকা পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে রেলস্টেশন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় রাত কাটাত হচ্ছে অনেককে। ষাটোর্ধ্ব ভ্যানচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, তীব্র ঠান্ডায় রাতে ঘুমানো সম্ভব হচ্ছে না এবং এখনো কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা তার কাছে পৌঁছায়নি।
এদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রতিদিন শিশু ও বয়স্করা চিকিৎসা নিতে আসছেন।
শীতের প্রকোপ বাড়ায় ফুটপাত ও বিভিন্ন বাজারে গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়লেও দাম নাগালের বাইরে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সীমিত পরিসরে কাজ করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় ধরনের কোনো ত্রাণ তৎপরতা এখনো চোখে পড়েনি বলে ভুক্তভোগীরা জানান। জরুরি ভিত্তিতে শীতবস্ত্র বিতরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।