ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ প্রার্থীদের হাতে এসব প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে জেলাজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৪টি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা): এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি)। এ ছাড়া এএসএম মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), মতিয়ার রহমান (ঈগল), শহিদুল এনাম পল্লব (কাঁচি) ও মনিকা আলম (লাঙ্গল) প্রতীক পেয়েছেন।
ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু): এই আসনে মো. আব্দুল মজিদকে ধানের শীষ (বিএনপি) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর (দাঁড়িপাল্লা), আসসাদুল ইসলাম (মই), আবু তোয়াব (কাস্তে), মমতাজুর রহমান (হাতপাখা) ও সওগাতুল ইসলাম (লাঙ্গল) প্রতীক পেয়েছেন।
ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর): বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেহেদী হাসান পেয়েছেন ধানের শীষ। এ ছাড়া অধ্যাপক মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সুমন কবির (ট্রাক) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীকে হাতপাখা প্রতীক দেওয়া হয়েছে।
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের একাংশ): এই আসনে ধানের শীষ পেয়েছেন রাশেদ খাঁন (বিএনপি)। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মাওলানা আবু তালেব (দাঁড়িপাল্লা), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (কাপ-পিরিচ), আব্দুল জলিল (হাতপাখা), খনিয়া খানম (উদীয়মান সূর্য) ও এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (লাঙ্গল) প্রতীক পেয়েছেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, “নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে থাকব।”