যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিরা যেন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় এই অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়।
এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন (৫৫)। ঘটনার পরপরই খুনিদের সম্ভাব্য পলায়ন পথ বন্ধ করতে তৎপরতা শুরু করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
বিজিবি সূত্র জানায়, ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেসব স্থান নজরদারির মাধ্যমে কার্যত সিলগালা করা হয়েছে। তল্লাশি কার্যক্রমের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী জানান, "আলমগীর হোসেন নিহতের ঘটনায় জড়িত আসামিরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রতিটি চেকপোস্টে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।"