যশোরের বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের জামাতা বাসেদ আলী পরশ ও সহযোগী আমিনুল ইসলাম সাগরকে আটক করা হয়েছে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটক বাসেদ আলী পরশ শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা এবং নিহত আলমগীরের জামাতা। অন্য আটক ব্যক্তি আমিনুল ইসলাম সাগর একই এলাকার বাসিন্দা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, শ্বশুরের সম্পত্তি ও গাড়ির প্রতি লোভ এবং স্ত্রীর ওপর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে জামাতা পরশ এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। অপর আটক ব্যক্তি সাগরের সঙ্গেও আলমগীরের পূর্বশত্রুতা ছিল। তারা দুজনে মিলে ভাড়াটে খুনি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। তবে তারা সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশ আরও জানায়, এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় নামীয় দুইজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং ভাড়াটে খুনিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।