পঞ্চগড়সহ দেশের উত্তরাঞ্চলের সব চা কারখানায় আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা দুই মাস চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সুপারিশ অনুযায়ী, চা গাছের 'প্রুনিং' বা ছাঁটাই কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে চায়ের গুণগত মান ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড।
আজ বৃহস্পতিবার থেকে বাগানগুলোতে সবুজ চা পাতা সংগ্রহ বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চা আইন ২০১৬-এর ৭(ক) ও ৭(খ) ধারা অনুযায়ী ক্ষুদ্র চা চাষিদের কাছ থেকে সবুজ চা পাতা গ্রহণের শেষ সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগৃহীত পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে শেষ করতে হবে। এছাড়া উৎপাদিত চায়ের শ্যাকিং ও প্যাকিং শেষে নিলামে পাঠানোর জন্য গুদামজাত করার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ জানুয়ারি।
আগামী ১ মার্চ থেকে পুনরায় কারখানাগুলোতে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু করা যাবে। নির্দেশনায় আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, পরবর্তী উৎপাদন মৌসুমে যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো কারখানা হঠাৎ বন্ধ রাখা যাবে না। কোনো কারখানা বন্ধ করতে হলে আগে থেকে চা বোর্ডকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট কারখানার অনুমোদন বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।