কৃষি বৈচিত্র্য রক্ষায় কৃষি জমির অকৃষি ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, দেশীয় ধানের জাত সংরক্ষণ এবং অতিমাত্রায় ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ না করলে মৎস্য উৎপাদন ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সদর দপ্তর পরিদর্শন এবং বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “আমাদের দেশীয় ধানের জাতগুলো অমূল্য সম্পদ। এগুলো বিদেশে সংরক্ষণের চেয়ে দেশেই উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত হাইব্রিড ধানের চাষ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।” কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, কিছু কীটনাশক মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য অতিমাত্রায় বিষাক্ত। এসব কীটনাশক শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবহার বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।
বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় বোরো মৌসুমের সেচ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশীয় প্রতিকূলতা সহনশীল জাতগুলোর উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ সময় তিনি কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কাজের সমন্বয় জোরদার করার আহ্বান জানান।
ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিষ্ঠানের গবেষণা পরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা পরিচালক ড. মুন্নুজান খানমসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় শেষে উপদেষ্টা ব্রির জিন ব্যাংক, ফার্ম মেশিনারি শেড এবং রাইস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন।