ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গত চার দিন ধরে বয়ে যাওয়া কনকনে ঠান্ডা হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে পথঘাট, যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। তীব্র এই শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, শিশু ও প্রবীণরা।
স্থানীয় হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, হাড়কাঁপানো শীতে সর্দি, কাশি ও জ্বরের মতো ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের জন্য বাড়তি যত্ন এবং উষ্ণ খাবার নিশ্চিত করা জরুরি। অসুস্থতা অনুভব করলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তীব্র শীত মোকাবিলায় নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুরদের রাস্তার মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও নদীর পাড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। আবহাওয়া ও হাড়কাঁপানো ঠান্ডার কারণে শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন আয় ও কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে।
অন্যদিকে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নবীনগর সদর বাজারসহ ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেড়েছে শীতবস্ত্রের কেনাবেচা। সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন মৌসুমি পিঠার দোকানগুলোতেও। স্থানীয়রা জানান, কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের ফলে গত কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিক চলাফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে। সচেতন মহল জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শিশু ও বৃদ্ধদের ভোরে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।