যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে তিন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে প্রশাসন। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে জেলার ৮২৪টি ভোটকেন্দ্রের সবকটিই প্রথমবারের মতো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’।
যশোর জেলা পুলিশ ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে সবচেয়ে বেশি ৯৩টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া যশোর-১ (শার্শা), যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা), যশোর-৩ (সদর), যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) এবং যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের মোট ৩০২টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিজিবি এবং র্যাবসহ মোট ১৪ হাজার ৬২ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া আমাদের ৭১ জন সদস্যের বডি ক্যামেরার ফুটেজ ‘সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে সদর দপ্তর থেকে সরাসরি নজরদারি করা হবে। যেকোনো গোলযোগ রুখতে ২০০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”
যশোরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আশেক হাসান জানান, ভোটগ্রহণের কাজে ১৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তিনি বলেন, “শতভাগ কেন্দ্র এবার নজরদারির আওতায় এসেছে। ঢাকা থেকে আগত ৪০ জনসহ মোট ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১২ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট সোমবার পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে সরাসরি দায়িত্ব পালন করবেন।”