বাংলাদেশের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী’ সম্পর্ক চায় ভারত। পাশাপাশি বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের আবেদনও খতিয়ে দেখছে দেশটি। মঙ্গলবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের চাওয়া অতিরিক্ত প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। অতিরিক্ত জ্বালানির অনুরোধটি ভারতের নিজেদের চাহিদা, পরিশোধন সক্ষমতা ও প্রাপ্যতা বিবেচনায় নিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিস্তা ইস্যুতে জয়সওয়াল বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। পানি-সম্পর্কিত সব আলোচনা যৌথ নদী কমিশন ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই হওয়া উচিত। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সফর নিয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা জানানো হবে।’ এ ছাড়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশের শর্ত প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, “প্রত্যর্পণের অনুরোধগুলো প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী’ সম্পর্ক চায়, যা পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে হবে।”