ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হলেও বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে এখনো শুরু হয়নি বিশেষ সতর্কতা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দাপ্তরিক নির্দেশনা না আসায় কেবল থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে যাত্রীদের তাপমাত্রা মেপে দায় সারছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন এক হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করলেও ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে চরম উদাসীনতা বিরাজ করছে। অধিকাংশ যাত্রীর মুখে মাস্ক নেই, নেই কোনো বিশেষ মেডিকেল টিম। বর্তমানে একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও একজন এনজিও কর্মী পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ভাইরাসের লক্ষণ শনাক্তে পর্যাপ্ত আধুনিক সরঞ্জামের অভাব লক্ষ্য করা গেছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. আব্দুল মজিদ জানান, নিপা ভাইরাস প্রতিরোধে এখনো উচ্চপর্যায় থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পৌঁছায়নি। বর্তমানে তারা কেবল হ্যান্ড থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
এদিকে ইমিগ্রেশন পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্ত্তজা আলী জানান, স্বাস্থ্য সতর্কতা বজায় রাখতে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মাস্কবিহীন যাত্রীদের বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত দিয়ে ভাইরাসের প্রবেশ ঠেকাতে দ্রুত বিশেষ স্ক্রিনিং ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।