বরগুনার বামনা উপজেলার ৩ নং রামনা ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে আকস্মিক বজ্রপাতে খোলপটুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষার্থী আহত হলে তাদের সুচিকিৎসাসহ আর্থিক সহায়তা দিলেন বামনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ নিকহাত আরা এবং তাদের শারিরীক অবস্হার খোজ নিতে বামনা উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে যান। আহতদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্হ্য কর্মকর্তাদের।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় খোলপটুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিল। হঠাৎ বিদ্যালয়ের অতি নিকটে বিকট শব্দে একটি বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে থাকা ছাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বজ্রপাতের এতই তীব্রতাছিল যে আতঙ্কে অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শিক্ষক সহপাঠী ও স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে স্হানীয় ফরাজি ক্লিনিকে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
বিকাল ৪ ঘটিকায় চিকিৎসা শেষে ১ জন ছাড়া সবাই বাড়িতে চলেযায় পড়ে আবার ৩ জন শাসকষ্ট জনিত কারনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে,এদের মধ্য থেকে ১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১জন এখন পর্যন্ত হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন বলে জানিয়েছেন
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বজ্রপাতের শব্দ এতই বিকট ছিল যে পুরো বিদ্যালয় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা ও ঝড়ের মৌসুমে বজ্রপাত থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।