নওগাঁর রাণীনগরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে বাসন্তী রাণী বর্ষা (২৬) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে পৈইদীঘি শ্মশানে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত বাসন্তী রাণী উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী উৎপল চন্দ্রের স্ত্রী। তাঁদের তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে স্বামীর বাড়ি থেকে বাসন্তীর প্রায় শতভাগ দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নিহতের শ্বশুরের দাবি, ভাত গরম করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আগুনে দগ্ধ হয়ে বাসন্তী মারা গেছেন।
রাণীনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন জানান, মরদেহের অবস্থান এবং রান্নার চুলার আশপাশের আলামত পর্যালোচনায় বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থাও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বাবলু চন্দ্র পাল বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”