হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে নুরুল ইসলাম নাহিদ (৩০) নামের এক লম্পটের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ দন্ডাদেশ দেন। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয় নাহিদকে।
এদিকে, দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য আসামি আনসার মিয়ার স্ত্রী রিনা বেগমকে বেখসুর খালাস দেয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, স্পেশাল পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তুফা মিয়া। আসামি পক্ষে ছিলেন শহিদুল ইসলাম।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করে পেশকার মো. ফজলু মিয়া জানান, ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই নবীগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর গ্রামের ১৫ বছরের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে রাত ১টার দিকে ঘরে ঘুমিয়ে পড়লে একই গ্রামের মৃত ওয়াব উল্লার পুত্র ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম নাহিদ কৌশলে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে তার বাড়িতে ধর্ষণ করে। আর এতে সহযোগিতা করে রিনা বেগম। এক পর্যায়ে নুরুল ইসলাম পালিয়ে যায়। পরের দিন কিশোরীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় গোলজার মিয়া বাদি হয়ে ওইদিনই নবীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করলে পুলিশ নুরুল ইসলাম নাহিদকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। দীর্ঘদিন কারাবাস করার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে এসে পলাতক হয়। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল গোপলার বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ শামস উদ্দিন খান আদালতে চার্জশীট দেন নাহিদ ও রিনাকে আসামি করে। স্বাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন। রায়ের সময় নাহিদ পলাতক এবং রিনা আদালতে হাজির ছিলো।