খুলনা

কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, মানুষের প্রত্যাশা পরিপন্থী কাজ করলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং সরকারের যত কাছের ব্যক্তিই হোক না কেন, মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কাজ করলে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী—এমনটাই মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ ইস্যুসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

সোমবার সকাল ১১টায় ঝিনাইদহ প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (পিটিআই) নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশ নিতে পারবেন কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত আইনে এখন পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত বাধা নেই। তাঁরা পূর্বে যেভাবে নির্বাচনে অংশ নিতেন, এবারও সেভাবেই অংশ নিতে পারবেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সরকারের আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী জানান, বিগত নির্বাচনগুলোর চেয়েও একটি ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। সময় হলেই সার্বিক পরিকল্পনা দৃশ্যমান হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়মের তথ্য তাঁর জানা নেই। সরকার সার ডিলার নিয়োগ ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কাজ পরিচালনা করছে।

পিটিআই ভবন উদ্বোধনের আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আইনমন্ত্রী। উক্ত সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল সংকট দূরীকরণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের নানা পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

 


সম্পর্কিত খবর