পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, “আমরা আবহমানকাল ধরে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান একসঙ্গে বসবাস করছি। আমরা ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ, যে যার যার ধর্ম পালন করছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার; কিন্তু নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’ বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির এই বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেসব কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেগুলোতে আপনারা সহযোগিতা করবেন। ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ কোনো সেবা থেকেই সুবিধাবঞ্চিতরা বাদ পড়বেন না। সেজন্য সকলকে উদার হতে হবে। হতদরিদ্র নারীদের নানাবিধ সহায়তা দেওয়া হবে তাঁদের সংসার পরিচালনার জন্য। আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছি। সারাদেশের মানুষ চেষ্টা করছে গাছ লাগানোর। আমাদের এই উপকূল জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অত্যন্ত সমস্যাগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ। এ এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধান করতে গেলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এই জনপদের সকল সমস্যা সমাধানে কাজ করা হচ্ছে। আমি আপনাদের টাকাপয়সা চুরি করে খাব না, যেন কেউ আমাকে চোর বলতে না পারে। প্রতিটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আসে সাম্যের বার্তা নিয়ে। প্রতিটি ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যবদ্ধভাবে চলা। কিন্তু আমরা স্বার্থপর হয়ে গেছি, পরিবারের বাইরে চিন্তা করতে পারি না। এই মানসিকতায় আমরা জড়িয়ে গেছি, এখান থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনাদের সকল সমস্যা ও প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।”
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কানাইনগর সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অর্থিতা হাওলাদার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকির হোসেন, বিএনপি নেতা শেখ রুস্তুম আলী, বাবুল হোসেন রনি, আ. হাকিম বাচ্চু, মো. নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেত্রী কমলা বেগম ও আয়েশা সিদ্দিকা।