বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোবারকগঞ্জ চিনিকলসহ দেশের ৯টি চিনিকল এলাকায় উন্নত প্রযুক্তি ও কলাকৌশলের মাধ্যমে চাষকৃত আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভা থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে ডিজিটাল বোতাম চেপে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মোবারকগঞ্জ চিনিকলের কর্মকর্তা ও শ্রমিক নেতারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আ. ন. ম. জোবায়ের, মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) গৌতম কুমার মণ্ডল, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) মো. আলমগীর হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মো. জাহিদুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. সাইফুল আলম, শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম এবং আখচাষি প্রতিনিধিদের মধ্যে মো. ফোরকান আলী, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা পারভেজ, মো. আব্দুল রহিম, মো. কুদ্দুস আলী, মো. বাবুল, মো. মুকুল হোসেন, মিন্টু প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি সরকার গঠনের পর বন্ধ মিলগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বন্ধ ৬টি চিনিকল বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে আবার চালু করা হচ্ছে; যেন শ্রমিক ভাইয়েরা কষ্ট না পান। শ্রমিকদের কষ্টের কথা চিন্তা করে বন্ধ কলকারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সারা দেশের প্রায় ৩৯ হাজার কৃষককে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।”
তিনি আরও বলেন, “আট মাস আগে নির্বাচন হয়েছে। সে সময় আমি নির্বাচনী জনসভা থেকে, নির্বাচনে সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের কথা। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ৭ দিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করেছি। কৃষকদের কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করে তথ্য সংগ্রহ চলছে, তাদের কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।”
এ সময় তিনি কৃষি কার্ডের ১০টি সুবিধার কথা তুলে ধরে বলেন, “বিএনপি জনগণের সরকার, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। এ জন্য বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের কথা চিন্তা করে।”