ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১লা আশ্বিন ১৪৩১

ঠাকুরগাঁওয়ে খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: | প্রকাশের সময় : সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০৬:০৮:০০ অপরাহ্ন | দেশের খবর

 ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়ায় ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ফুটবল খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ও নিরীহ সাধারণ মানুষের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও সড়কে আগুন জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার দুপুরে গড়েয়ার সর্বস্থরের সনাতন সম্প্রদায়ের জনগন ব্যানারে খেলার মাঠ প্রাঙ্গনে মনববন্ধন করা হয়।

পরে মানববন্ধন শেষে মাঠ থেকে একটি বিক্ষোভ বের হয়ে গড়েয়া চৌড়াস্তা মোড়ে এসে বিক্ষোভে মিলিত হয়। সেখানে সড়কে আগুন জ¦ালিয়ে ও গাছের মুড়া ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, গড়েয়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি লাবলু, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বাড়ি, রাজু আহম্মেদ, ফরুল দেবনাথ, অতুল চন্দ্র রায়, বিলাসী রাণী প্রমূখ।

বিলাসী রাণী বলেন, আমাদের ছোট বাচ্চারা স্কুল শেষে এই মাঠে খেলাধুলা করে। আমার জন্মের আগে থেকেই দেখছি এটা খেলার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের হরিভাষর সহ বিভিন্ন ছোট ধর্মীয় অনুষ্ঠান এই মাঠে আয়োজন করা হয়। এখন শুনছি যে মাঠ বিক্রয় করা হয়েছে। আমাদের দাবি আমাদের এই মাঠ আমাদের পরের প্রজন্মের জন্য রক্ষা করা হোক।

অতুল চন্দ্র রায় বলেন, আমাদের বাপ দাদার আমল থেকে গড়েয়ার এই ঐহিত্যবাহী ফুটবল মাঠ আমরা দেখে আসছি। হঠাৎ করে কয়েকজন এসে মাঠ দখল নিতে চায়। তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের গ্রামবাসীকে হয়রানি করতেছে। আমরা এটার সঠিক বিচার চাই। আমরা আমাদের মাঠের ঐতিহ্য বজায় রাখতে চাই।

গড়েয়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি লাবলু বলেন, মাঠ দখল করাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন পর পর মাড়ামাড়ি হয়। আর যারা মাঠ দখল করতে আসছে তারাই আবার মামলা দিচ্ছে। মাঠের দাবি করছেন যিনি তিনি ব্যবসায়িদের নামে মামলা দিয়েছে। গতকাল আমাদের দুজন ব্যবসায়িকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। আমরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এবং আমাদের ব্যবসায়ি বন্ধুদের দ্রæত ছেড়ে দেওয়ার জন্য আজ এই বিক্ষোভ করেছি। আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে পরে আমরা সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিব।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, আসামি ধরার প্রেক্ষিতে এলাকাবাসি রাস্তা অবরোধ করেছিল। পরে সেখানে পুলিশ গিয়ে বুঝানোর পরে এলাকাবাসি ভুল বুঝতে পারে এবং অবরোধ তুলে নেয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।