জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার অগ্রনী ফিশারীর প্বার্শবর্তী এক পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে শন্তিগঞ্জ থানা পুলিশে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ চৌধুরী ও সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌছাঁন।
স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭ টায় সাঁতার না জানা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী অমই দাস ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার অগ্রনী ফিশারীর নিকটবর্তী পুকুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। একপর্যায়ে সকাল ১০ টায় তার মরদেহ পানিতে ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। এসময় অমই দাসের বাম পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায় এবং মুখে ফেনা দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অমই দাস পানিতে ডুবে অথবা সাপের কামড়ে মারা যেতে পারেন। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী অমই দাসের সাথে এলাকার প্রত্যেকের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তার পরিবার ও স্থানীয়রা।
শান্তিগঞ্জ থানার ওসি খালেদ চৌধুরী জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।