ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০২৪, ২রা আষাঢ় ১৪৩১

যত্রতত্র পশুর হাট, বাড়ছে বিড়ম্বনা

কামরুল হাসান, জামালপুর : | প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ ০৭:২৩:০০ অপরাহ্ন | দেশের খবর

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের গোপালপুর হাট ও সরিষাবাড়ী পৌরসভার বাউসি বাঙালি বাজার সবচেয়ে নামকরা পশুর হাট। তবে সবচেয়ে বড় হাট পিংনা গোপালপুর। এ হাট দুটি সরকারিভাবে ইজারা দেয়া। ফলে একদিকে সরকার এ থেকে বৎসরে বিপুল রাজস্ব লাভ করে। অন্যদিকে হাট সংশ্লিষ্ট বহু লোকের কর্মসংস্থানও হয়ে থাকে। দুঃখের বিষয়- ঈদুল আযহা উপলক্ষে উপজেলার আনাচে কানাচে পশুর হাট বসে। বিশেষ করে রাস্তার উপর বা রাস্তা সংলগ্ন স্থানে হাট বসার কারণে বাড়তি ভিড় জমে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারণের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে। অনেক সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনাও ঘটে। এছাড়া এসব অস্থায়ী হাট থেকে সরকার তেমন কোন রাজস্ব পায় না। পক্ষান্তরে সরকারি ইজারাকৃত হাটগুলোর ইজারাদাররা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তবে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী লোকজনই আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে থাকে বেশি। এর পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ রয়েছে। আবার অনেক সময় শক্তিশালী বৈধ হাট কমিটি না থাকায় অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হয় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় শ্রেণিকেই। এমনও দেখা যায়, এসব অস্থায়ী হাটগুলোতে নাম সর্বস্ব হাট কমিটি অপেক্ষাকৃত বেশি হাসিল আদায় করে। আবার অনেক সময় রশিদ ছাড়াই অতিরিক্ত হাসিল আদায় করতে দেখা যায়। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিকট থেকে হাসিল আদায় করার নিয়ম থাকলেও ক্ষেত্র বিশেষে শুধু ক্রেতাকেই হাসিল পরিশোধ করতে হয়। তাই যত্রতত্র পশুর হাট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাড়তি বিড়ম্বনা দূর করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।